1. admin@naldangabatra.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ জুন ২০২৩, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

নাটোর জেলায় ৭টি উপজেলায় বিশ্ব নারী দিবসের শ্রেষ্ঠ ৭ জন নারী নির্বাহী কর্মকর্তা-ইউএনও

নলডাঙ্গা বার্তা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ, ২০২৩
নাটোরের বনলতা সেন। বনলতা সেন কবিতার কবি জীবনানন্দ দাসকে সত্যিই দুদণ্ড শান্তি দিয়েছিলেন কি না, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে নাটোরের জেলার ৭ উপজেলার সাধারণ মানুষকে সেবা দিয়ে হৃদয় জয় করছেন ৭ জন নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। বাংলাদেশের প্রথম জেলা নাটোর, যেখানে প্রতিটি উপজেলায় ইউএনও’র দায়িত্বে রয়েছেন নারীরা।
৩৭ বার পঠিত

নাটোর জেলায় ৭টি উপজেলায় বিশ্ব নারী দিবসের শ্রেষ্ঠ ৭ জন নারী নির্বাহী কর্মকর্তা-ইউএনও

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-   নাটোরের বনলতা সেন। বনলতা সেন কবিতার কবি জীবনানন্দ দাসকে সত্যিই দুদণ্ড শান্তি দিয়েছিলেন কি না, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে নাটোরের জেলার ৭ উপজেলার সাধারণ মানুষকে সেবা দিয়ে হৃদয় জয় করছেন ৭ জন নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। বাংলাদেশের প্রথম জেলা নাটোর, যেখানে প্রতিটি উপজেলায় ইউএনও’র দায়িত্বে রয়েছেন নারীরা।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি সিংড়া উপজেলায় মাহমুদা খাতুনের পদায়নের মাধ্যমে নাটোরে প্রতিটি উপজেলায় এখন নারী ইউএনও। মাহমুদা খাতুনের পাশাপাশি নাটোর সদর উপজেলায় সারমিনা সাত্তার, নলডাঙ্গায় রোজিনা আক্তার, বাগাতিপাড়ায় নীলুফা সরকার, লালপুরে শামীমা সুলতানা, বড়াইগ্রামে মারিয়াম খাতুন এবং গুরুদাসপুরে শ্রাবণী রায় দায়িত্ব পালন করছেন।

নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী নানান উদ্যোগ নিয়েছেন। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই নাটোর পেয়েছে ৭ জন নারী ইউএনও। বাংলাদেশের প্রথম জেলা নাটোর, যেখানে সবগুলো উপজেলাতেই নারী ইউএনও দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি আরো বলেন, মেধা, দক্ষতা ও চ্যালেঞ্জ গ্রহণের একাগ্রতা নিয়ে পুরুষের সঙ্গে সমতালে কাজ করে যাচ্ছেন নারীরা। জেলা প্রশাসক হিসেবে এখানে কাজ করার সুযোগ পাওয়াটা আমার জন্য আনন্দের। কারণ, এটা ইতিহাসের অংশ হয়ে গেল।
লালপুরের ইউএনও শামীমা সুলতানা বলেন, অনেকেই মনে করেন, নারী কর্মকর্তা এক ধরনের দুর্বলতা। কিন্তু আমি মনে করি, নারী কর্মকর্তা মানেই একটি ইতিবাচক ও শক্তিশালী শব্দ।

নাটোর সদর উপজেলার ইউএনও সারমিনা সাত্তার বলেন, এটা নিশ্চই আমাদের জন্য সৌভাগ্য। অসহায় নারীরা যখন বিশ্বাস নিয়ে আমাদের কাছে আসেন, আমাদেরকে আপন মনে করে তাদের সব সমস্যার কথা অকপটে খুলে বলেন এবং ভরসা করেন ন্যায়বিচার পাওয়ার, তখন একজন নারী কর্মকর্তা হিসেবে প্রশান্তি পাই এবং সকল পরিশ্রম সার্থক বলে মনে হয়। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট নাটোর জেলা কমিটির সভাপতি উম্মে খাইরুন নাহার বিজলী বলেন, এক সময় নাটোরের মেয়েরা কেবল ঘরের কোনেই বন্দি থেকেছেন। গৃহস্থলী কাজই যেন ছিল মেয়েদের কাজ। এখন সময় বদলেছে। এর পাশাপাশি এই ৭ জন ইউএনওকে দেখে নাটোরের তরুণীরা আরও উজ্জীবিত হবে। মেয়েরা দেশ গড়ার কাজে আরও অবদান রাখতে অনুপ্রাণিত হবে।
নাটোরের মহিলা পরিষদ সভানেত্রী শ্যামা বসাক বলেন, নারীদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলভাবে পালন করতে দেখলে প্রাণ ভরে যায়। মনে হয়, আমাদের আন্দোলন সফল হয়েছে।

শুধু এই ৭ ইউএনও’ই নন, নাটোরের সিভিল সার্জন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, বিচারক। এমনকি ২টি পৌরসভার মেয়র হিসেবেও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন নারীরা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ ©  নলডাঙ্গা বার্তা

 
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park