1. admin@naldangabatra.com : admin :
শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২০ নবীনগরের মিষ্টির সুখ্যাতি ছড়াচ্ছে দেশব্যাপী। তীব্র তাপপ্রবাহে তেঁতে উঠেছে অঞ্চল,পুড়ছে রাজশাহীর,তীব্র গরম ও কাঠফাটা রোদ বিরাজ করছে। পাবনায় ভারতীয় চিনি বোঝাই ১২টি ট্রাকসহ ২৩ জন আটক নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করতে যা করার প্রয়োজন তাই করা হবে- নির্বাচন কমিশনার। লালপুরে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় প্রেমিককে অপহরণের পর কুপিয়ে জখম। পিরোজপুরের বিভিন্ন থানা থেকে চুরি হওয়া ৩৪ মোবাইল ফোন মালিককে ফেরত দিলো পুলিশ সুপার। বিএনপি নেতা সোহেলের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে রংপুরে মানববন্ধন। লালপুরে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন। বড়াইগ্রামে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনীর উদ্বোধন।

পাবনায় মা হারানো শিশুকে নানির জিম্মায় দিলেন হাইকোর্ট

নলডাঙ্গা বার্তা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৯ মে, ২০২৩
মা হারানো পাবনার চার বছরের এক কন্যা শিশুকে নানির জিম্মায় দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সাবালিকা হওয়া পর্যন্ত নানির জিম্মায় থাকবে সে। তবে এ সময়ে ভরণপোষণ খরচ বহন করতে হবে বাবাকে।
১০৫ বার পঠিত
পাবনায় মা হারানো শিশুকে নানির জিম্মায় দিলেন হাইকোর্ট
পাবনা জেলা প্রতিনিধিঃ
মা হারানো পাবনার চার বছরের এক কন্যা শিশুকে নানির জিম্মায় দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সাবালিকা হওয়া পর্যন্ত নানির জিম্মায় থাকবে সে। তবে এ সময়ে ভরণপোষণ খরচ বহন করতে হবে বাবাকে। বৃহস্পতিবার (১৮ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এই রায় দেন। ওই শিশুকে বাবার জিম্মায় দেওয়া বিচারিক আদালতের আদেশ বাতিল করে এই রায় দেন হাইকোর্ট।
আদালতে নানি জাহানারা বেগমের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. আবদুল হাই সরকার। বাবা মো. ফজলে রাব্বীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. শহীদুল ইসলাম। এছাড়া রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন (মানিক)। শিশুটির মা আইরিন পারভীন ২০১৯ সালের ১০ জুন মৃত্যুবরণ করেন। এরপর আদালতের আদেশ অনুযায়ী শিশুটি তার খালা ও নানির কাছে ছিল। তবে পরে তার বাবা পুনরায় আদালতে রিভিশন আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পাবনার অতিরিক্ত ২য় দায়রা আদালত শিশুটিকে বাবার জিম্মায় দেন।
শিশুটির জন্ম ২০১৯ সালের ৩০ মে। এর ১০ দিন পর ১০ জুন তার মা মারা যান। তখন থেকে সে নানি ও খালার কাছে থেকে লালিত পালিত হচ্ছিল। এর মধ্যে ৫ মাস বয়স সময় শিশুটিকে পেতে বাবা আদালতে আবেদন করেন। একই বছরের ৫ নভেম্বর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এক আদেশে শিশুটিকে নানি ও খালার জিম্মায় রাখার আদেশ দেন। সেখানে অন্তত সাত বছর রাখার কথা বলে বাবাকে খরচ বহনের আদেশ দেন। পরে শিশুটির বাবা রিভিশন করেন। সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে ২০২২ সালের ২২ সেপ্টম্বর অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত শিশুটিকে বাবার জিম্মায় দেন।
এরপর নানি জাহানারা বেগম ওই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে কোয়াশমেন্ট (বিচারিক আদালতের রায় বাতিল চেয়ে) আবেদন করেন। হাইকোর্ট রুল জারি করেন ও শিশুসহ বাবা এবং নানিকে আদালতে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেন।
সে অনুসারে বৃহস্পতিবার উভয়পক্ষ আদালতে হাজির হন। এরপর আদালত শিশুর কাছে জানতে চান, সে কার কাছে থাকতে চায়। জবাবে শিশুটি নানির কাছে থাকার কথা বলে। এসময় বিচারিক আদালতের রায় বাতিল করে শিশুটিকে নানির জিম্মায় দেন হাইকোর্ট। শিশুটি সাবালিকা না হওয়া পর্যন্ত তার নানির কাছে থাকবে। তবে এসময়ে বাবা ফজলে রাব্বীকে শিশুটির ভরণপোষণ বহন করতে হবে।
Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ ©  নলডাঙ্গা বার্তা

 
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park