1. admin@naldangabatra.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন

হবিগঞ্জের বানিয়াচং হাসপাতালে পেট ব্যাথার চিকিৎসা করতে গিয়ে শিক্ষার্থীর চোখ কেটে দিলেন ডাক্তার-!

নলডাঙ্গা বার্তা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৫ আগস্ট, ২০২৩
হবিগঞ্জের বানিয়াচং হাসপাতালে তীব্র পেট ব্যাথার চিকিৎসা নিতে গিয়ে অপচিকিৎসার শিকার হলেন এক শিক্ষার্থী।পেট ব্যাথার চিকিৎসার সময় ওই শিক্ষার্থীর চোখে প্রবল চাপ দিয়ে ধরলে,চিকিৎসকের নখের আচর লেগে রুগীর চোখের পলক কেটে রক্তাক্ত জখম হয়েছে।
১৯৩ বার পঠিত

হবিগঞ্জের বানিয়াচং হাসপাতালে পেট ব্যাথার চিকিৎসা করতে গিয়ে শিক্ষার্থীর চোখ কেটে দিলেন ডাক্তার-!

 

আকিকুর রহমান রুমন:, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ

 

 

হবিগঞ্জের বানিয়াচং হাসপাতালে তীব্র পেট ব্যাথার চিকিৎসা নিতে গিয়ে অপচিকিৎসার শিকার হলেন এক শিক্ষার্থী।পেট ব্যাথার চিকিৎসার সময় ওই শিক্ষার্থীর চোখে প্রবল চাপ দিয়ে ধরলে,চিকিৎসকের নখের আচর লেগে রুগীর চোখের পলক কেটে রক্তাক্ত জখম হয়েছে।

অভিযুক্ত চিকিৎসক বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা: শাহনেওয়াজ। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার(৪আগস্ট) রাত সাড়ে নয়টায় বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় বানিয়াচং উপজেলা সদরের ৩নং দক্ষিণ পূর্ব ইউনিয়নের মিয়াখানী গ্রামের নানু মিয়ার অষ্টাদশী অনার্স পড়ুয়া কন্যা তীব্র পেট ব্যাথা নিয়ে বানিয়াচং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

এ সময় আব্দুল হালিম নামের এক চিকিৎসক সহকারী রুগী ভর্তি করানোর জন্য রুগীর স্বজনদের বলেন। কিছুক্ষণ পর মেডিকেল অফিসার ডা শাহনেওয়াজ এসে রুগীর স্বজনদের জিজ্ঞেস করেন রুগীর চোখ বন্ধ কেন। তখন স্বজনরা জানান পেট ব্যাথার কারণে রুগী অচেতন হয়ে পড়ছে। তখন ওই ডাক্তার রুগীর চোখে চাপ দিয়ে ধরেন।তখন রুগীর এক স্বজন দেখতে পান রুগীর চোখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে।
তখন ওই চিকিৎসক উত্তেজিত হয়ে কোথায় রক্ত বলে চিতকার করে উঠেন।
তখন চিকিৎসক নিজের হাতে রক্ত দেখতে পেয়ে রুগীকে হবিগঞ্জ নিয়ে যেতে বলেন। পরবর্তীতে চিকিৎসক সহকারী আব্দুল হালিম এসে রুগী ভর্তি রেখে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। রুগীর স্বজনরা জানান ভূল করে ও ডাক্তার সাহেব আমাদের সাথে খুবই বাজে আচরণ করেছেন।

এ ব্যাপারে রুগীর স্বজন এক নারী জানান,ডাক্তার সাহেব আমাদের সাথে খুবই বাজে আচরণ করেছেন।আমরা এর বিচার চাই। এ ব্যাপারে ডা: শাহনেওয়াজ’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ওই চিকিৎসক জানান আমি কেন রুগীর চোখ কেটে দিব। অভিযোগ সঠিক নয়। এবং কারো সাথে অশোভন আচরণ ও করিনি আমি।

উল্লেখ্য, হাসপাতালের আশপাশের অনেকেই এই ডাক্তার শাহনেওয়াজ এর খারাপ আচরণের বিষয়ে অভিযোগ করে বলেন,তার ব্যবহার খুবই খারাপ এবং রোগীদের সাথে খারাপ আচরণ করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ ©  নলডাঙ্গা বার্তা

 
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park